শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা গাড়ি ভাঙচুর করেছে
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আজ শুক্রবার রাতে ইটপাটকেল ছুড়ে বাণিজ্য মেলার প্রধান ফটকের কাছে পার্কিং করা অন্তত অর্ধশত গাড়ি ভাঙচুর করেছে। বাণিজ্য মেলার মাঠে একজন নারীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে পুলিশ দুজন ছাত্রকে আটক করার খবরে এ ঘটনা ঘটায় ছাত্ররা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, আজ রাতে শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রসংলগ্ন বাণিজ্য মেলার মাঠে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষার্থী একজন নারীকে উত্ত্যক্ত করে। এ সময় পুলিশ জসিম উদ্দিন ও মোস্তফা কামাল নামের শেরেবাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন ছাত্রকে আটক করে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নিয়ে যায়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শতাধিক বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের ভেতর থেকে বাণিজ্য মেলার ১ নম্বর ফটকের সামনে অবস্থানরত পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়ে। ইটের আঘাতে বাণিজ্য মেলার ১ নম্বর ফটকের কাছে পার্কিং করা অর্ধশত গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় মেলায় আসা নারী ও পুরুষেরা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি করে। প্রায় আধঘণ্টা ধরে এ অবস্থা চলার পর পুলিশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে পড়লে ছাত্র ও পুলিশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এরপর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত তেজগাঁও অঞ্চলের সহকারী পুলিশ কমিশনার আ স ম মাহতাবউদ্দিন বলেন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ছোড়া ইটের আঘাতে কিছু গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। উত্ত্যক্তের শিকার ওই নারী মামলা দিলে আটক ছাত্র জসিম উদ্দিন ও মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়া হবে।
প্রথম আলো রিপোর্ট
তারিখ: ২৯-০১-২০১০
- Forums:
- Tag this post:
JUST VIEWED
Last viewed:
- র্দুঘটনা এবং প্রাসংগিক কিছু ভাবনা।
- Calling all Bangladeshis...
- BANGLADESH: Indoor air pollution kills thousands every year
- দিন বদলের দিন
- ড্রাগ, সুন্দরী আর সাগর পারের দেশ কলোম্বিয়ায় - ৪র্থ পর্ব
- A Secret Agent....
- লাদেনের মেয়েকে তেহরান ছাড়ার অনুমতির আহ্বান
- News Archive
- Access Denied!
- Politics and flip side of a coin
- The Face of Digital Bangladesh
- বিমানের এঞ্জিন পাহাড় বাইয়্যা যায়
- আপনি কি রেস্টুরেন্টে প্রায়ই খেতে ভালবাসেন?
- Student Politics
- অস্ট্রেলিয়ায় দুই বাংলাদেশী সমকামীর ইচ্ছা
Latest Blogs
- রাজার দেশে দুই রাজপুত্র...
- US State Department warned Mujibur about possible assassination
- Hope of a Nation
- Haves and Have-nots
- While Bangladeshis fight, Vietnam gets Billion $ Intel
- ডিজিটাল বিপ্লব না পারিবারিক বনভোজন?
- একজন কণিকা রহমানের কাহিনী...
- পার্বত্য চট্টগ্রাম, যে ছবি কথা বলে...
- জন হিংঙ্কলে, আকতার হামিদ পবন ও দু'টা অসফল নাটকের ইতিকথা
- মার্ডার অন দ্যা ওরিয়েন্ট/বিডিআর এক্সপ্রেস!
Recent Comments
- MUJIB DESH NOT BANGLADESH
6 hours 22 min ago - EHUDI CHRISTINE JOY !!!!!!!!!
6 hours 34 min ago - জয়কে এখনই সক্রিয় রাজনীতিতে দেখতে চান না শেখ হাসিনা
2 days 36 min ago - Driving force behind Globalization – a Bangladesh case study
5 days 3 hours ago - A sad legacy
5 days 3 hours ago - Fragmented population and Bangladesh
5 days 3 hours ago - Begums' gift to Bangladesh
5 days 3 hours ago - Charting Bangladesh’s economic prosperity
5 days 3 hours ago - My 7 days in NYC
5 days 3 hours ago - Bangladesh will not prosper economically in near future
5 days 3 hours ago





সাব্বাস আমাদের সোনার ছেলেরা!
তোমরাই পারবে জাতিকে "কলঙ্কমুক্ত" করতে!!!
বাণিজ্য মেলায় ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর
দুটি ঘটনার জের ধরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ভেতরে-বাইরে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ চলাকালে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি কম-বেশি আহত হয়। এ সময় মেলার সামনে রাখা দেড় শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১০-১২ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় মেলায় ছিল উপচে পড়া ভিড়। আতঙ্কে আত্দরক্ষা করতে গিয়ে মেলায় আসা বেশ কয়েকজন নারী ও শিশু আহত হয়।
পুলিশ জানায়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েরর কয়েকজন শিক্ষার্থী মেলা থেকে পোশাক নিয়ে যেতে চাওয়া থেকে ঘটনার শুরু।
পরে একই প্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষার্থী এক সেনা কর্মকর্তা ও তাঁর স্ত্রীকে উদ্দেশ করে কটূক্তি করলে সহিংসতা ব্যাপক রূপ নেয়। এ ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি ও স্টল মালিকরা মেলা কমিটির কাছে ঘটনার বিচার ও ক্ষতি পূরণ দাবি করেছেন। অন্যথায় আজ শনিবার থেকে মেলা বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন তাঁরা। রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) চৌধুরী মঞ্জুরুল করিম কালের কণ্ঠকে জানান। মেলার ভেতরে-বাইরে আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা সংঘর্ষের সময় আশপাশের রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০-১২ জন ছাত্র মেলার ১১১ নম্বর স্টলে 'বডিফিট'-এ গিয়ে কয়েকটি ব্লেজার পরে দাম না দিয়েই চলে যেতে থাকে। এ সময় এক বিক্রয়কর্মী দাম চাইলে ছাত্ররা উত্তেজিত হয়ে তাকে মারধর করে। এ সময় অন্য বিক্রয়কর্মীরা এগিয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে খবর দেয়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই হকিস্টিক ও লাঠিসোঁটা নিয়ে শতাধিক ছাত্র বাণিজ্য মেলার ভেতরে ঢুকে। তারা ওই দোকানের মালিক ও বিক্রয় প্রতিনিধিসহ ছয়-সাতজনকে মারধর করে। স্টল মালিক কিবরিয়া কালের কণ্ঠের কাছে অভিযোগ করেন, এ সময় শিক্ষার্থীরা দোকান থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা, ২০০ ব্লেজার ও শতাধিক প্যান্টসহ সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মালামাল লুট করে।
ছাত্রদের আঘাতে বিক্রয়কর্মী আকাশ, সজীব, শাওন ও শামীম আহত হন। তাঁদের মধ্যে শামীমকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। পরে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার সময় পুলিশ এগিয়ে গেলে ছাত্ররা তাদের ধাওয়া করে। পুলিশও পাল্টা ধাওয়া দেয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে থাকে। এ সময় মেলার ভেতরে এক ভীতিকর পরিবেশ তৈরি হয়।
ভেতরের পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসার সময় বাণিজ্য মেলার প্রধান গেটে ঘটে আরেকটি অপ্রীতিকর ঘটনা। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাণিজ্য মেলার প্রধান গেট দিয়ে এক সেনা কর্মকর্তা তাঁর স্ত্রীর কাঁধে হাত রেখে এক সন্তানসহ ভেতরে ঢুকছিলেন। তখন দুই তরুণ তাদের উদ্দেশে কটূক্তি করে। সেনা কর্মকর্তা বিষয়টি গিয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে জানান। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ জহির উদ্দিন ও মোস্তফা কামাল নামে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রকে অটক করে কন্ট্রোল রুমে নিয়ে যায়। এ খবর জানাজানি হলে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে আরো ৭০-৮০ জন শিক্ষার্থী বাণিজ্য মেলা চত্বরে ছুটে যায়। এরপর সবাই মিলে মেলার বাইরে পার্ক করে রাখা গাড়ি ভাঙচুর শুরু করে। প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, জিপসহ শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করে তারা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। খবর পেয়ে কৃষি বিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সেকেন্দার আলী ও সহকারী প্রক্টর ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
সহিংসতার সময় কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট সালাম আহত হন বলে জানা গেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ সময় পুলিশের লাঠিপেটায় প্রক্টর সেকান্দার আলী ও সহকারী প্রক্টর আরফান আলী সামান্য আহত হন। প্রক্টরকে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কালের কন্ঠ রিপোর্ট
৩০ জানুয়ারি ২০১০
Post new comment